Description
ননী ফলে আছে ভিটামিন এ, সি, ই, বি, বি-২, বি-৬, বি-১২, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফলিক এসিড, প্যান্টোথেনিক এসিড, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম, জিংক, কপার, অন্যান্য মিনারেলসহ প্রায় ১৫০ টির-ও বেশি ওষুধি গুণে পরিপূর্ণ ননী ফল। ননী ফলের রসে উচ্চ রক্তচাপ কমে, শারীরিক শক্তি বাড়ে, প্রতিরোধ করে প্রদাহ ও হিস্টামিন। ননী ফল খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আসে।
- প্রতিটি চারা গাছের মূল্যঃ ৫০০ টাকা
- প্রতি কেজি ফলের মূল্যঃ ১০০০ টাকা
ননী ফলের উপকারিতাঃ
ননী ফলের রয়েছে কিছু অসাধারণ উপকারিতা যেগুলো আমাদের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য। এমন কিছু গুণ রয়েছে এই ফলের যেগুলো আমরা জানিই না।
- ক্যানসার প্রতিরোধক
- ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা
- বডি ইমিউনিটি বাড়াতে
- স্ট্রেস কমাতে
- সর্দি কাশি সারাতে
- হাড়ের সমস্যায়
- এনার্জি বাড়াতে
- স্ক্যাল্প ইরিটেশন
- হেলদি গ্লোয়িং স্কিন
- ত্বকের বয়স ধরে রাখে
- ননী ফল ডায়াবেটিসের জন্যও বেশ কার্যকর। আসলে, ননী ফলের মধ্যে এমন অনেক বিশেষ উপাদান পাওয়া যায়, যা শরীরে রক্তে শর্করা বৃদ্ধির মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে ননি গাছের পাতাও অত্যন্ত উপকারী।
ননী ফল খাওয়ার সঠিক পদ্ধতিঃ
ননী ফল খাওয়ার সবচেয়ে ভালো সময় হলো সকালে। খালি পেটে ননী ফলের রস পান করলে এর পুষ্টিগুণ শরীরে ভালোভাবে কাজ করতে পারে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, একবারে খুব বেশি রস পান করা উচিত নয়। সাধারণত ৩০-৬০ মিলি ননী রস প্রতিদিন খালি পেটে খাওয়া যেতে পারে।
জুস করে খাওয়া:
ননী ফল থেকে জুস তৈরি করে খাওয়া যেতে পারে। ফলটি ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে বা রস বের করে, সামান্য পানি মিশিয়ে পান করা যেতে পারে।
ফ্রিজে সংরক্ষন করে খাওয়া:
ননী ফল সংরক্ষণ করার সময় বিশেষ যত্ন নিতে হবে। সাধারণত এটি ফ্রিজে রাখা হয়। ফ্রিজে রাখলে এটি ৫-৭ দিন পর্যন্ত ভালো থাকতে পারে। তবে দীর্ঘ সময়ের জন্য সংরক্ষণ করতে চাইলে ননী ফল শুকিয়ে গুঁড়ো করে রাখতে পারেন।
ফ্রিজে সংরক্ষিত ননী ফল খাওয়ার নিয়ম- কয়েকটি ননী ফল (৩ টি) পরিষ্কার বিশুদ্ধ পানিতে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর ১/১.৫ লিটার বিশুদ্ধ পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। নরম হয়ে গেলে, ফলগুলো চটকিয়ে রস করে নিতে হবে। জলের সাথে মিশে ননী ফলের রস প্রস্তুত হয়ে যাবে। এইবার সম্পূর্ণ রসটুকু ছেকে বোতলে বা জগে ভরে নিবো। এখন ইহা পান করার জন্য উপযোগী। উল্লেখ্য যে ননী ফল কিছুটা গন্ধযুক্ত হলেও পানি মিশানোর ফলে তা হালকা হয়ে যায় এবং পান করতে তেমন কোন অসুবিধা হয় না ইন-শা-আল্লাহ।
ননী ফলের গুঁড়ো:
এটি ননী ফলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রতিদিন সকালে ১-২ চামচ ননী ফলের গুঁড়ো গরম পানির সাথে মিশিয়ে খেলে এটি একই রকম পুষ্টিগুণ প্রদান করে।
ডায়েটে ননী ফলের সংমিশ্রণ:
ননী ফলকে সরাসরি না খেয়ে ডায়েটে যুক্ত করার একটি ভালো পদ্ধতি হল এটি বিভিন্ন স্মুদি বা জুসের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া। ননী ফলের তিক্ত স্বাদ সরাসরি খাওয়া কঠিন হলেও অন্যান্য ফলের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। এছাড়াও, বিভিন্ন সালাদে ননী ফল যোগ করা যেতে পারে।
ননী ফল খাওয়ার কিছু সতর্কতাঃ
ননী ফলের অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা থাকলেও এটি খাওয়ার সময় কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। বিশেষ করে কিছু ক্ষেত্রে এটি শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। নিচে কিছু সতর্কতা দেওয়া হলো:
১. অতিরিক্ত ননী ফল খাওয়া:
যদিও ননী ফলের অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে, তবে অতিরিক্ত খেলে এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষ করে যাদের কিডনি সমস্যা রয়েছে, তাদের ননী ফল খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত, কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে, যা কিডনির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
ননী ফল সাধারণত কাঁচা বা জুস করে খাওয়া যায়। ফলটি সরাসরি খেলে সামান্য ঝাঁঝালো টক স্বাদ লাগতে পারে। জুস করে খেলে, ফলের সাথে পানি মিশিয়ে নিতে পারেন।
২. গর্ভাবস্থায় ননী ফল খাওয়া:
গর্ভবতী মহিলাদের ননী ফল খাওয়ার সময় বিশেষ সতর্ক থাকা উচিত। গর্ভাবস্থায় এটি খাওয়া নিরাপদ নয় বলে মনে করা হয়, কারণ এতে কিছু উপাদান থাকতে পারে যা গর্ভাবস্থায় সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
৩. অন্যান্য ওষুধের সঙ্গে ননী ফলের মিশ্রণ:
ননী ফল কিছু নির্দিষ্ট ওষুধের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করতে পারে, বিশেষ করে যেসব ওষুধ রক্তচাপ বা রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণ করে। তাই যাদের এমন ওষুধ সেবন করতে হয়, তাদের ননী ফল খাওয়ার আগে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত।
ডেলিভারি চার্জঃ
পন্যের ডেলিভারি চার্জ নিয়ে ঝামেলা এড়াতে আমরা অর্ডার কনফার্মের পর পন্য পৌছানোর দূরত্ব ও পন্যের ওজনের উপর ভিত্তি করে সঠিক ডেলিভারি চার্জ যাচাই করে মেসেজ বা কলের মাধ্যমে পুনরায় জানিয়ে থাকি।



Reviews
There are no reviews yet.